কুমিল্লার নাঙ্গলকোটে মোবাইল ফোনে গড়ে ওঠা প্রেমের সূত্র ধরে দেখা করতে গিয়ে এক তরুণী ও তার বান্ধবী দলবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হয়েছে।
মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ধর্ষণের শিকার দুই তরুণী পরস্পরের বান্ধবী। তাদের একজন লক্ষ্মীপুর এবং অন্যজন চাঁদপুরের বাসিন্দা। তারা কুমিল্লা শহরের টমছমব্রিজ এলাকায় একটি মেসে ভাড়া থাকেন এবং গৃহকর্মীর কাজ করেন। তাদের মধ্যে একজন নাঙ্গলকোট উপজেলার নূরপুর গ্রামের শাহিদুল ইসলামের সঙ্গে মোবাইল ফোনে প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন। গত ৯ জানুয়ারি তারা শাহিদুলের সঙ্গে দেখা করতে গেলে সাতজন যুবক তাদের সেবাখোলা বাজারের খোকন মিয়ার করাতকলের মধ্যে নিয়ে যায়। সেখানে মহসিন নামক এক ব্যক্তির নেতৃত্বে তাদের দুপুর ১২টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত দলবদ্ধভাবে ধর্ষণ করা হয়। অপরাধীরা ঘটনাটি ভিডিও ধারণ করে এবং জানায়, বিষয়টি জানালে ভিডিওটি ফেসবুকে ছড়িয়ে দেওয়া হবে।
ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর করাতকলের মালিক খোকন মিয়া পলাতক রয়েছেন। তার মোবাইল ফোন বন্ধ থাকায় তাকে পাওয়া যায়নি। ধর্ষণের শিকার এক তরুণী সোমবার রাত ১২টার দিকে নাঙ্গলকোট থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় প্রধান আসামি করা হয়েছে শাহিদুল ইসলামকে। এছাড়া করাতকলের মালিক খোকন মিয়া ও মোহসিনসহ সাতজনকে আসামি করা হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নাঙ্গলকোট উপজেলার বাঙ্গড্ডা ইউনিয়নের নূরপুর গ্রামের সেবাখোলা বাজারে খোকন মিয়ার করাতকলের ভেতরে এ ঘটনা ঘটে। মোহসিন রঞ্জু মিয়ার ছেলে। ঘটনার পর থেকে মোহসিন এলাকা থেকে পলাতক। তার মোবাইল ফোনও বন্ধ রয়েছে।
আজ মঙ্গলবার নাঙ্গলকোট থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) একেএম ফজলুল হক বলেন, “ঘটনার চার দিন পর মামলা হয়েছে। বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর থেকেই আসামিরা পলাতক। তাদের গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান চালানো হচ্ছে।